dannews24.com | logo

২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৯ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

উচ্চ আদালতের আদেশ যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে কারা ফটকে বিয়ে করার

প্রকাশিত : অক্টোবর ২৩, ২০২০, ১৬:১৭

উচ্চ আদালতের আদেশ যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে কারা ফটকে বিয়ে করার

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ খালাতো বোনের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কের সুযোগে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে দৈহিক মেলামেশা করেছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার এক যুবক। এক পর্যায়ে ওই মেয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ার পর বিয়েতে রাজি হননি তিনি। পরে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ড নিয়ে ২০১২ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন সেই যুবক। সম্প্রতি আসামি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।
সেই আবেদনের শুনানিতে আইনজীবী বলেন, ভিকিটিম (মেয়েটি) এখানে আছে। তারা বিয়েতে রাজি। এরপর আদালত কারাবন্দি আসামি ও ভিকটিমের মধ্যে কারা ফটকেই বিয়ের আয়োজন করতে রাজশাহী কারাগারের তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দিয়েছেন। বিয়ের পর এ বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহেদ চৌধুরী।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। আইনজীবীরা জানান, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সিতানাথ খালকোর ছেলে দিলীপ খালকোর সঙ্গে তার খালাতো বোনের (ভিকটিম) মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায়ে খালাতো বোনকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দৈহিক সম্পর্কে জড়ান দিলীপ খালকো। এতে ভিকটিম গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তারপর দিলীপ আর বিয়ে করতে রাজি হয়নি। পরবর্তীতে একই সালের ২৫ অক্টোবর গোদাগাড়ী থানায় দিলীপের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়।
এ মামলায় আসামির ২০১২ সালের ১২ জুন এক রায়ে দিলীপকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেন আদালত। সেই থেকে দিলীপ কারাবন্দি রয়েছেন। সম্প্রতি দিলীপ হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো.মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ উভয়পক্ষের সম্মতিতে কারা ফটকে বিয়ের আদেশ দেন।






অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা। 01711366298/01812550877 mushanews2011@gmail.com

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান। 01796032336

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা। ( বিএ অর্নাস) রাষ্ট্রবিজ্ঞান।