dannews24.com | logo

৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

খেয়ালী গল্পঃ শালিসে তখন বিরাট হট্টগোল। ঘটনার মর্ম বোঝার চেষ্টা করছি আমি।

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০, ১৭:০৮

খেয়ালী গল্পঃ শালিসে তখন বিরাট হট্টগোল। ঘটনার মর্ম বোঝার চেষ্টা করছি আমি।

খেয়ালী গল্পঃ
সকাল সকাল ঘুমটা ভেঙেই গেল। চারপাশে এমন চিৎকার চললে স্বয়ং কুম্ভকর্ণ ও ঘুৃমাতে পারবেনা। বিরক্তি নিয়ে নিচে নামলাম। চিল্লাচিল্লিটা আসছিলো মুতালেপ চাচার বাড়ির থেকে। হাঁটা শুরু করলাম।
বাড়ির সামনে বিরাট ভিড়। শালিস বসছে। আমাকে দেখেই চাচা একটা চেয়ার দিলেন। আমি কিছু না শুনেই বসে পড়লাম।
শালিসে তখন বিরাট হট্টগোল। ঘটনার মর্ম বোঝার চেষ্টা করছি আমি।
মুতালেপ চাচার তিন ছেলে। চাচা অনেক কষ্ট করে ছেলেদের মানুষ করেছেন। নিজে খেয়ে না খেয়ে তাদেরকে বিত্তবান করে তুলেছেন। চাচার এখন আকাল। এই আকালের কালে ছেলেরা ঘোষণা দিয়ে বসলো তারা আর চাচা-চাচীর দায়িত্ব নিবেনা। ছেলেদের এখন অনেক খরচ, পর্দায়, শেয়ারে, খিচুড়ি রান্নায় এমনকি পাপিয়ার কাছে কাঁপিয়া উঠিতেও তাদের খরচ। তো এই সকল খরচ কিভাবে জোগাড় হবে- সেই ভাবনা থেকেই ছেলেরা আর মুতালেপ চাচাদের দায়িত্ব নিবেনা।
দায়িত্ব কেউ না নিতেই পারে, তাতে তো সমস্যা নেই। সমস্যা হলো অন্য জায়গায়। ছেলেরা এই ঘোষণার পর থেকেই দেখলো যে, কে বা কারা প্রত্যেকদিন রাতে ঘরের সামনে পায়খানা করে রাখে।
এটা কয়েকদিন পরপর হতেই ছেলেরা পাহারা বসালো। পাহারাদার পরদিন সকালে ছেলেদের জানিয়ে দিলো এই কাজটা মুতালেপ চাচা করে। তাই নিয়েই এই বিচার।
বিচারকের সাথে চাচার যে কথা হলো তা এমন —

– তুমি কি সত্যিই ছেলেদের ঘরের সামনে পায়খানা করো
# হ বাপু, করি
– ছি! ছি! কেন করো এইটা?
# দেখো, ওগের দায়িত্ব আমার খাওয়ানো পরানো। তা না করে ওরা এখন নিজিগের নিয়ে মত্ত। আমার কোন খোঁজই নেচ্চেনা।
– তাই বলে তুমি ঘরের সামনে পায়খানা করবে, তা-ও প্রতিদিন?
# হ, করিচি, আরো করবো। আমি এই পায়খানা করে উগারে বুজাতি চাই যে উরা দায়িত্ব না নিলিও আমি খাতি পারি। আমি যে খাওয়া জুগাড় করি আর পেট চালাই সেই প্রামানের জন্যিই ইডা করি। আমি একোনো মরিনি, খাই দায় করি ইডা ওগেরে বুজা দরকার।
রায় কি হলো তা শোনার অবস্থায় আর আমি নাই। সোজা বাসার চলে আসলাম। সমস্যাটা শুরু হলো রাতে। চোখ বন্ধ করলেই দেখি হাজারে হাজার মুতালেপ চাচা কাপড় তুলে বড় বড় ইমারতের সামনে বসে আছে। সারা শহর হলুদ রঙে রাঙানো।
আমার আর ঘুম আসছে না।
আচ্ছা আমার ঘুম আসছে না কিন্তু আপনার…..
ভাইরে, খাচ্ছেন খান, পাতাডা ছিড়বেন না… পিলিজ..






অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা। 01711366298/01812550877 mushanews2011@gmail.com

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান। 01796032336

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা। ( বিএ অর্নাস) রাষ্ট্রবিজ্ঞান।