dannews24.com | logo

২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৯ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

গাইবান্ধায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১ হাজার ১’শ ৯৭ জন

প্রকাশিত : অক্টোবর ০৮, ২০২০, ১৬:৩০

গাইবান্ধায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১ হাজার ১’শ ৯৭ জন

 

শাহারুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাসে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ ছাড়া পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সারি। এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে গাইবান্ধায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। এ ছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১শ’ ৯৭ জনে। এতো মৃত্যু আর আক্রান্তের ভিড়ে সুস্থ হওয়ার খবরও মিলছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়ে আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬ জন। এ ছাড়া চিকিৎসাধীন ৮৭ জন। ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

গাইবান্ধা জেলার করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগ থেকে জেলার সাত উপজেলায় সেরে উঠেছে ১ হাজার ৯৬ জন। এর মধ্যে গাইবান্ধা সদরে ৩৯১ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৩১২ জন, সাদুল্লাপুরে ৯০ জন, পলাশবড়ীতে ৮৯ জন, সাঘাটায় ৭৪ জন, সুন্দরগঞ্জে ৭৮ জন ও ফুলছড়ি উপজেলায় ৬২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ ছাড়া সংখ্যাধিক্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গাইবান্ধা সদরে সবচেয়ে বেশি ৪৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে (এর মধ্যে পৌর এলাকায় ৩৩৪ জন)। এর পরের অবস্থানে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পাওয়া গেছে ৩২২ জন (এরমধ্যে পৌর এলাকায় ১৭৭ জন), পলাশবাড়ী উপজেলায় ১০৯ জন (এরমধ্যে পৌর এলাকায় ৬৫ জন), সাদুল্লাপুর উপজেলায় ৯৯ জন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৮০ জন (এরমধ্যে পৌর এলাকায় ৩৪ জন), সাঘাটা উপজেলায় ৭৭ জন ও ফুলছড়ি উপজেলায় ৭২ জন।

গাইবান্ধায় বর্তমানে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ৮৭ জনের মধ্যে ৪৪ জন গাইবান্ধা সদরে, পলাশবাড়ীতে ১৬ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৬ জন, ফুলছড়িতে ১০ জন, সাদুল্লাপুরে ৭ জন, সুন্দরগঞ্জে ১ জন ও সাঘাটায় ৩ জন রয়েছেন। জানা যায়, এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ১৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদরে ৩ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৪ জন, সাদুল্লাপুরে ২ জন, পলাশবাড়ীতে ৪ জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে করোনা সংক্রমণ নিয়ে স্থানীয়রা অনেকটাই অসচেতন। চলাচলে অসতর্কতা এবং সামাজিক দূরত্ব ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি কেউ সঠিকভাবে মেনে চলছেন না। সাধারণ মানুষ হাঁটবাজার, দোকানপাট ও রাস্তাঘাটে অবাধে চলাচল করছেন। চলছে চায়ের দোকানে আড্ডা। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে কমেছে প্রশাসনের নজরদারিও। এতে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম দেখা দেওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)






অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা। 01711366298/01812550877 mushanews2011@gmail.com

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান। 01796032336

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা। ( বিএ অর্নাস) রাষ্ট্রবিজ্ঞান।