dannews24.com | logo

৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

গোয়াইনঘাট সীমান্তে মাফিয়া সুমন ও প্রশাসনের নামে দৈনিক লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি

প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২১, ১৪:২৬

গোয়াইনঘাট সীমান্তে মাফিয়া সুমন ও প্রশাসনের নামে দৈনিক লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি

স্টাফ রিপোর্ট::সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৩নং পূর্ব জাফলং ও তামাবিলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে মটরশুঁটির পাচার।
ভারতে এই পণ্যটির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিগত কয়েক মাস ধরে মটরশুঁটির পাচার বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।
এইসব আমদানি রপ্তানিতে জড়িত চোরাকারবারি অস্ত্র ব্যবসায়ী ও ভূমিখেকো জামাই সুমন বাহিনীর ইমরান হোসেন সুমন,
জাফলংয়ের ফিরোজ মিয়া,বিশ্বনাথী ফজুল ইসলাম এদের নেতৃত্ব রয়েছে জাফলং এর সকল অবৈধ কর্মকান্ড।

এ দিকে গোয়াইনঘাটেরসীমান্ত এলাকায় বহিষ্কৃত টেকনাফের ওসি প্রদীপের রুপে রয়েছেন গোয়াইনঘাট থানার ওসি আব্দুল আহাদ। তিনিও মাফিয়াদের সাথে হাত মিলিয়ে দৈনিক হাতিয়ে নিচ্ছে চোরাকারবারিদের কাছে থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজ মাফিয়া গ্রুপের।

এই চক্রে সাথে সরাসরি লাইনে থেকে যারা টাকা কালেকশনে রয়েছেন, তারা সিদ্দিক মিয়া, সামছুল মিয়া,নায়াবস্তির কালা সামছু ও আসুর ছেলে রুবেল মিয়া।
এদের মধ্যে রুবেল মিয়া একবার গ্রেফতার হয় ঐ চাঁদাবাজির মামলায়,তার কিছুদিন কারাগারে থাকার পর কৌশলে বেরিয়ে এসেই ফের ডিবি-পুলিশের লাইনম্যান হয়ে সোনাটিলা গ্রামের টাকা তুলার দায়িত্বে রয়েছে।

একটি অনুসন্ধানে এসব তথ্য জানা যায়।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুরী বাজার, তামাবিল স্থলবন্দর, সোনাটিলা, গুচ্ছগ্রাম, সংগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের নিচে মালেকের ঘাট, বল্লাঘাট জিরো পয়েন্ট, লামা পুঞ্জি,নকশীয়া পুঞ্জি, লন্ডনী বাজার সীমান্ত দিয়ে অবাধে ভারতে পাচার হচ্ছে মটরশুঁটির, দেশী সুপারি, সাদা পাতা, শুটকি, প্লাস্টিক পণ্য। আর ভারত থেকে দেশে আসছে গরু-মহিষ, কসমেটিক্স, মাদক, অস্র গোলা বারুদ ও সিগারেট ইত্যদি। এই ভারতীয় কসমেটিকসের সয়লাভ জাফলং পিকনিক সেন্টারের দোকান গুলো।
কোন দিন এই দোকান গুলোতে স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালায়নি। তাও আবার দোকান গুলো বিজিবি ক্যাম্পের সামনে এবং বল্লাঘাট সেন্টারে রয়েছে।

এদিকে ভারতী পণ্যের বিরুদ্ধে পুলিশ-বিজিবি নিরব ভূমিকা পালন করলেও র‌্যাব-৯ এর অভিযানে সর্বদাই আটক হচ্ছে ভারত থেকে দেশে আসা কসমেটিকস্, মাদক অস্র গোলা বারুদ ও সিগারেট। কিন্তু এই লাইনম্যান ও মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে কোন ধরণের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেনা গোয়াইনঘাট পুলিশ।
যার ফলে এই চক্রটি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

তারা স্থানীয় বিজিবি-ডিবি-পুলিশের হয়ে চোরাকারবারিদের নিকট থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করে আসছে।
গডফাদার(মাফিয়া) জামাই সুমন,ফয়জুল, ফিরোজ মিয়াসহ তারা তাদের নিজস্ব লোকের মাধ্যমে রাতের আধারে চোরাকারবারিদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে। তাদেরকে টাকা না দিলে তারা বিজিবি ও ডিবি- পুলিশ দিয়ে মালামাল আটক করিয়ে দেয় এমন অভিযোগ চোরাকারবারিদের।
প্রতিদিন সন্ধা রাত থেকে শুরু দেশী মাল ভারতে পাচার আর ভোর হলেই সেই লেবার গণ দেশে ফেরার সময় শুরু করেন ভারতীয় অবৈধ মালামাল পাচার। এভাবেই চলছে জাফলং সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মালামাল পাচারের হিড়িক।

এইসব মাফিয়া ডন ও তাদের লতাপাতাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন জাফলংয়ের সচেতন মহল।






অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা। 01711366298/01812550877 mushanews2011@gmail.com

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান। 01796032336

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা। ( বিএ অর্নাস) রাষ্ট্রবিজ্ঞান।