dannews24.com | logo

৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বদলগাছীতে নকল কীটনাশকে সয়লাব

প্রকাশিত : নভেম্বর ৩০, ২০২০, ১৯:১৪

বদলগাছীতে নকল কীটনাশকে সয়লাব

শহীদুল ইসলাম, বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে ভেজাল কীটনাশকে বাজার সয়লাব বেকায়দায় পড়েছে
কৃষকেরা। না বুঝে এসব ভেজাল কীটনাশক
ব্যবহার করে উপকারের পরিবর্তে উল্টো
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকেরা। ধান, সবজি সহ বিভিন্ন ফসলে পোকা দমনে
কীটনাশক ব্যবহার না করলে ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু দোকান থেকে
কেনা কীটনাশক দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না। একদিকে যেমন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে
অপরদিকে আর্থভবক্ষতির মুখে পড়জেলার কৃষকরা।
জানা গেছে, ইনতেফা কোম্পানীর ‘বাতির’ নামক কীটনাশক কোম্পানির
নির্ধারিত ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করে থাকে। কোম্পানির
নির্ধারিত দোকানগুলোতে এ কীটনাশক না থাকলেও হুবহু লেবেল লাগানো বোতল
বা পাকেট বাহিরের সর্বত্র দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। না বুঝে কৃষকরা সেই
সব কীটনাশক চড়া মূল্যে কিনে পোকা দমনের জন্য স্প্রে করছেন তা দিয়ে
কিছুতেই পোকা দমন করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে কোম্পানির বিরুদ্ধে তাদের
বিভিন্ন অভিযোগ। বোতল বা প্যাকেটের গায়ে মনোগ্রাম বা লেবেল দেখে
বোঝার কোন উপায় নেই এটা নকল নাকি আসল কীটনাশক। কৃষকরা না বুঝে
ওই নকল কীটনাশক কিনে প্রতারিত হতে হচ্ছে। নকল কীটনাশক বিক্রি বন্ধে
প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন উপজেলার কৃষকরা। তারা মনে করেন উপজেলার
বিভিন্ন হাট বাজারে প্রশাসনের অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া দরকার। তা না হলে আমরা প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হয়ে দিনদিন ক্ষতি
গ্রস্ত হচ্ছি। তা ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, যত্র তত্র
ভাবে লাইসেন্স বিহীন গড়ে উঠেছে কীটনাশকের দোকান। এমন কি মুদির
দোকানেও বিক্রি হচ্ছে কীটনাশক। বদলগাছী বাজারে অবস্থিত ফারুক কীটনাশক
দোকানের মালিক শিপলু হোসেন বলেন, আমাদের কাছেও অনেক কৃষক এধরনের
অভিযোগ নিয়ে আসছে। উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাহার আলী
বলেন আমরা কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকি। তবে কীটনাশক আসল না
নকল সেটা বলতে পারবনা এগুলো কোম্পানির ব্যাপার। উনাক কোম্পানির
মার্কেটিং অফিসার গোলাম রসুল বলেন কৃষকরা নিয়ম মেনে প্রয়োগ না করার
কারনে সমস্যা হতে পারে। উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কেশাইল গ্রামের দেলোয়ার
হোসেন, পাঁড়োরা গ্রামের আব্দুল বারীক, চাংলা গ্রামের পলাশ হোসেন বলেন
২বছর আগে যে কীটনাশকের দাম ছিল ২শ টাকা সেটি এখন ৩৫০টাকা কিন্তু
আগের মত কাজও হচ্ছে না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান আলী
লেন অনেক সময় ঔষধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে এ সমস্যা হয়। উপজেলা অফিসার মুহাঃ আবু তাহির বলেন, জরুরী ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নকল ও ভেজাল
কীটনাশক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা। 01711366298/01812550877 mushanews2011@gmail.com

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান। 01796032336

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা। ( বিএ অর্নাস) রাষ্ট্রবিজ্ঞান।