dannews24.com | logo

১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সোনাতলায় জাতীয় শ্রমীকলীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১, ১৪:৪৮

সোনাতলায় জাতীয় শ্রমীকলীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন

 

মিনহাজুল বারী, বগুড়া-১:শনিবার সকাল ১১টায় বগুড়া সোনাতলায় জাতীয় শ্রমীকলীগের আহব্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আখতার হোসেন বুলু উপস্থাপনায় স্থানীয় শ্রমীকলীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তৎকালীন ১৯৭১ সালে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে বাঙালী জাতীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহব্বান জানান, যুদ্ধের ডাকদেন তখন মরহুম আব্দুস সাত্তার আকন্দ জাতীর পিতার কথা অনুপ্রেনিত হয়ে তার চার সন্তান সহ আপন ভাতিজাদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে। এমনকি তিনি বগুড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধাদের এরিয়া কমান্ডার ও একজন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ছিলেন। তার বড় দুই সন্তান সহ তার আশে পাশের এলাকার অনেক মানুষকে নিজ অর্থায়নে ভারতে পাঠান মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিংএর জন্য। ট্রেনিং শেষে ১০/১২জন সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে। মরহুম আব্দুস সাত্তার আকন্দ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তার পাট গোডাউনে মুক্তিযোদের খাবারের ব্যবস্থা করেন। এমনকি প্রতিদিন কয়লার ইঞ্জিল চালিত ট্রেন নিজে চালিয়ে ১২০০’শ জন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার কর্ণেশন স্কুলে নিয়ে যেতেন। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী সোনাতলার রাজাকারদের মাধ্যমে জানতে পারে আকন্দ পরিবারে ৯জন সদস্য মুক্তিযোদ্ধা। তখন পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী তাদের সকল মজুদকৃত চাল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার সব পুরে ছাই করে এমনকি থাকার শেষ সম্বলটুকু কাবিলপুরে বসতবাড়ী পুরিয়ে ছারখার করে দেয়। মরহুম আব্দুস সাত্তার আকন্দের পরিবার ৭মাস যাবত নৌকার মাঝে পান্তা ও আঠা কলা খেয়ে নৌকায় পানি মধ্যে দিনাতিপাত করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্বাধীন বাংলার প্রথম সোনাতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন আব্দুস সাত্তার আকন্দ। তারপর থেকে তিনি সদর ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে কাজ করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে ৭জন পুত্র ও ২জন কন্যা সন্তান রেখে জীবনের ইতি টানের এই বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক মরহুম আব্দুস সাত্তার আকন্দ।

বঙ্গবন্ধুর এই আদশর্যর সৈনিক মরহুম আব্দুস সাত্তার আকন্দের পরিবারের পঞ্চম পুত্র এটিএম রেজাউল করিম মানিক এক কথায় আওয়ামী পরিবারের সন্তান। ২০০৬ সাল থেকে তার সন্তানের পড়াশুনার লক্ষে তিনি তার পরিবার সহ নওগঁায় বসবাস করেন। তার দুই ছেলে বর্তমানে বড় ছেলে সফ্টায়্যার (বিএসসি) ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ৪র্থ বর্ষে ঢাকায় অধ্যায়নরত। এদিকে তার ছোট ছেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সরকারী কলেজে এইচ.এস,সি ১য় বর্ষে অধ্যায়নরত।
২০০৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্তা নওগাতে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ ১৩ বছর ছেলে মেয়ের পড়াশুনার জন্য বাহিরে থাকেন।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ২১ ডিসেম্বর জেলার নেত্ববৃন্দ উপস্থিত থেকে উপজেলার ২১ সদস্য বিশিষ্ট এ্যাডহক কমিটি করেদেন। কমিটিতে যুগ্ম আহব্বায়ক পদে নিযুক্ত করে এটিএম রেজাউল করিম মানিককে। বগুড়া জেলা শ্রমীকলীগের নেতৃবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে নয়, সম্পূর্ন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে জাতীয় শ্রমীকলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় শ্রমীকলীগ সোনাতলা উপজেলা শাখার এ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমাদের উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে, পোষ্টার সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না।
গতকাল ৩রা ফেব্রয়ারী বুধবার ২০২১ ইং তারিখে সোনাতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর আলম বুলু ,উপজেলার দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এটিএম রেজাউল করিম মানিকের নামে ভিত্তিহীন কথা লিখিত ভাবে উপস্থাপন করেন। সেখানে উল্লেখ্য যে, “এটিএম রেজাউল করিম মানিক সকল অ-রাজকতার হোতা, বিএনপির কুখ্যাত সন্ত্রাসী, ভুমি দস্যু, চাঁদাবাজ, ১/১১ তথা ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারী অসংখ্যক অভিযোগের অভিযুক্ত”। এমন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য যা হাস্যকর এবং বানোয়াট।
কিছু কুচক্রি মহল দলীয় ভাবে একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এটিএম রেজাউল করিম মানিকের প্রতি হিংসাক্তক ভাবে মান ক্ষুর্ন করার জন্য উঠে পরে লেগেছে। বর্তমানে তিনি সোনাতলা উপজেলা জাতীয় শ্রমীকলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক পদে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। আমি/আমরা জাতীয় শ্রমীকলীগের সকল নেতাকর্মী ও সদস্যবৃন্দ এমন মিথ্যচার ও কুরুচিপূর্ণ সংবাদেও তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সোনাতলা উপজেলা জাতীয় শ্রমীকলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক সাবেক ছাত্র নেতা বাদশা বাবু, এটিএম রেজাউল করিম মানিক, তৌহিদ আহম্মেদ, সদস্য খালেকুজ্জামান টিটোন, রেজাউল করিম, শিপন, আব্দুর খালেক প্রমূখ।






অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা। 01711366298/01812550877 mushanews2011@gmail.com

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান। 01796032336

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা। ( বিএ অর্নাস) রাষ্ট্রবিজ্ঞান।