dannews24.com | logo

১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শেরপুরে অনুমতি ছাড়াই আলতাদিঘী মাদ্রাসার গাছ কাটার অভিযোগ

প্রকাশিত : জুন ২৫, ২০২০, ১৫:০৯

শেরপুরে অনুমতি ছাড়াই আলতাদিঘী মাদ্রাসার গাছ কাটার অভিযোগ

Spread the love

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই বগুড়ার শেরপুরে আলতাদিঘী ফাজিল মাদ্রাসার এগারোটি গাছ কেটে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের অজুহাত দেখিয়ে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ও ম্যনিজিং কমিটির এক সদস্য মিলে তরিঘড়ি করে টেন্ডার ছাড়াই গাছগুলো কেটে গোপনে বিক্রি করে দেন। এক্ষেত্রে মহামারী করোনা উপলক্ষ্যে চলমান সরকারি ছুটির সময়কে বেছে নেয়া হয়েছে। এরপরও ঘটনাটি প্রকাশ হয়ে পড়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। পাশাপাশি উক্ত ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও জানান তারা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের বোডেরহাট এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন আলতাদিঘী ফাজিল মাদ্রাসা। এই প্রতিষ্ঠানটির পুরণো শ্রেণীকক্ষ সংস্কার ও নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের অজুহাত দেখিয়ে ম্যানিজিং কমিটির কোন রেজুলেশান ছাড়াই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম ও সদস্য গোলাম হোসেন এগারোটি ইউক্যালিপটাস (ইউকালেক্টর) গাছ কাটার উদ্যোগ নেন। এমনকি অত্যান্ত গোপনে গত ২২জুন ভোররাত থেকে গাছগুলো কাটা শুরু করেন। একইসঙ্গে স্থানীয় গোসাইবাড়ী বাজারস্থ একটি করাতকলের মালিকের নিকট বিক্রিও করে দেন। পরবর্তীতে ওই করাতকলের মালিক কাটা গাছগুলো তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসার নতুন ঘর তৈরী করা প্রয়োজন। তাই গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে শুনেছি। তিনি গাছগুলো কাটেননি।

এলাকার একজন অভিভাবক সদস্য নিজ উদ্যোগে এই কাজটি করেছেন। তবে এক্ষেত্রে তাকে মৌখিক অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। কারণ গাছ কাটার অনুমতি পেতে অনেক সময় লাগে। তাই শ্রেণীকক্ষ সংকট থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার কথা চিন্তা করেই হয়তো গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে জানান তিনি। আর অভিভাবক সদস্য গোলাম হোসেন বলেন, ঝড়ে পড়া গাছ কাটার জন্য মাদ্রাসার অধ্যক্ষ তাকে দায়িত্ব দেন। পরে ছোট-বড় মিলে নয়টি ইউক্যালিপটাস (ইউকালেক্টর) গাছ কেটে ‘ছ’ মিলে রাখা হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য এই কাজটি করা হয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকলেই ভালো হয় বলে মন্তব্য করেন।

তবে মাদ্রাসার ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি মো. সবুজ বলেন, কিছুদিন ধরে ব্যবসায়িক কাজে এলাকায় নেই। তাই এই ঘটনাটি সম্পর্কে তার কিছুই জানা নেই দাবি করেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.লিয়াকত আলী সেখ এ প্রসঙ্গে বলেন, অনুমতি ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা যাবে না। এমনকি এ ধরণের কাজ একটি বড় অপরাধ। তবে আলতাদিঘী মাদ্রাসার গাছ কাটার বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।