dannews24.com | logo

১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বগুড়ার শেরপুরে সরকারি হাটের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ

প্রকাশিত : জুলাই ০১, ২০২০, ১৪:২৯

বগুড়ার শেরপুরে সরকারি হাটের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের কয়েরখালী হাট-বাজারের জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা করায় গত ২৮ জুন রোববার নাজির হোসেন নামের এক এজারদার ১২ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের কয়েরখালী সরকারি হাট টেন্ডারের মাধ্যমে ১লা বৈশাখ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ১৪ এপ্রিল ২০২০ ইং তারিখে ইজারাদার নাজির হোসেন টেন্ডারের মাধ্যম ইজারা নেন। পরবর্তিতে হাট পরিচালনা করতে গিয়ে দেখেন খানপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের করিম বক্স’র ছেলে বাদশা মিয়া ও লুৎফর রহমান অবৈধ ভাবে জায়গা দখল ২০ হাত লম্বা ঘর স্থাপন করেছে। এবং খানপুর এলাকার চান্দু উল্লাহ’র ছেলে আবুল কাশেম, মৃত আখের আলীর ছেলে ছবের আলী, মৃত ফজর আলীর ছেলে ফরহাদ হোসেন, মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে সোবাহান মৃত রওশের আকন্দর ছেলে মেরাজ আকন্দ, আহম্মদ বেপারীর ছেলে মোস্তাফা, আব্দুল হকের ছেলে ফারুক হোসেন, আব্দুল মান্নানের ছেলে আরিফ, নলবাড়িয়া এলাকার আব্দুল বাছেদ এর ছেলে রহমত আলী, দড়িখাগা গ্রামের মৃত আজগর আলীর ছেলে শফি জায়গা দখল করে ঘর নির্মান করেছে। অবৈধ ভাবে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ করে অনেকে নিজ মালিকানা দাবি করে অন্যের কাছে ওই জায়গা ভাড়া দিয়েছে। এ ঘটনায় ইজারাদার নাজির হোসেন বাদি হয়ে গত ২৮ জুন রোবাবর সকালে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

উল্লেখ্য, শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের কয়েরখালী হাটের ১১৬৫ দাগে ১৮ শতক, ১৪৭৪ দাগে ৫৮ শতক মোট ৭৬ শতক জায়গার মাঝে ২৬ শতক জায়গা তারা দখল করে অবৈধ স্থাপনা করে।

এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।