dannews24.com | logo

১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বগুড়া শেরপুরে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ : লম্পট গ্রেফতার

প্রকাশিত : জুলাই ১১, ২০২০, ১৪:০১

বগুড়া শেরপুরে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ : লম্পট গ্রেফতার

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:বগুড়ার শেরপুরে প্রথম শ্রেণীর এক ছাত্রকে জোরপূর্বক বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রের বাবা মো. মিজানুর রহমান বাদি হয়ে শুক্রবার (১০জুলাই) রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে মামলায় অভিযুক্ত লম্পট যুবক বায়েজিত হোসেন ওরফে বুলু সরকারকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের সাতাড়া গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধুনট উপজেলার শাঁকদহ গ্রামের মিজানুর রহমান ঢাকায় চাকরি করেন। এ কারণে তার স্ত্রীও ঢাকাতেই থাকেন। তবে ছয় বছরের ওই শিশু ছেলে শেরপুর উপজেলার সাতাড়া গ্রামস্থ নানার বাড়িতে থাকতো। পাশাপাশি ছেলেটি মির্জাপুর হলি চাইল্ড স্কুল এন্ড কলেজে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করছে। কিন্তু গত ০৭জুলাই বিকেলে প্রতিবেশি লম্পট যুবক বায়েজিত ওই শিশু ছেলেকে ঘুড়ি ওড়ানোর লোভ দেখিয়ে স্থানীয় মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। পরে একটি পাট ক্ষেতের মধ্যে তার হাফ প্যান্ট খুলে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হয়। এ সময় ওই শিশুটি চিৎকার শুরু করলে তার মুখ চেপে ধরে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় লম্পট বায়েজিত সরকার। একপর্যায়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বাড়ি এসে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ঘটনাটি তার নানার কাছে খুলে বলে। এরপর শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উক্ত ঘটনায় থানায় প্রকৃতির নিয়মের বাইরে জোরপূর্বক যৌন সঙ্গমের অপরাধে (৩৭৭ পেনাল কোড-১৮৬০ ধারা) একটি মামলা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনায় অভিযুক্ত ওই লম্পটকে গ্রেফতার করে গতকাল শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।