dannews24.com | logo

১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শেরপুরে বন্যার পানি বাড়ছেই, দূর্ভোগ সীমাহীন

প্রকাশিত : জুলাই ১৭, ২০২০, ১৬:২০

শেরপুরে বন্যার পানি বাড়ছেই, দূর্ভোগ সীমাহীন

Spread the love

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও আষাঢ়ের ভারি বর্ষণে বগুড়ার শেরপুরে বাঙালি ও করতোয়া নদীর পানি বেড়েই চলছে। এতে করে উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের পনেরটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া পৌরসভার দুইটি ওয়ার্ডের শতাধিক বাড়িঘরেও বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। তাই ঘরবাড়ি ছেড়ে বানভাসী অনেক মানুষই স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কয়েকশ’ বাড়িঘর ও রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়া পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শেরপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিমাই ঘোষ জানান, করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তার ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া, পূর্বদত্তপাড়া ও উত্তরসাহাপাড়া এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। এসব এলাকার শতাধিক বাড়িঘরে পানি উঠেছে। ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাট। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন তারা। এরমধ্যে পনেরটি পরিবারের লোকজন বাসা-বাড়ি ছেড়ে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজে হাইস্কুলে এবং দশ থেকে বারোটি পরিবার পৌরসভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানান এই কাউন্সিলর।

এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঙালি নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁজর, মাগুতাইড়, শুভগাছা ও খানপুর ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া, বথুয়াবাড়ী, শালফা, শুভলী, বেড়েরবাড়ি বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার রাস্তা-ঘাট, ফসলি জমি ও জলাশয় পানিতে তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে উঠতি ফসল রোপা-আউশ ধান ডুবে যাওয়ায় চাষীরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে অনেক কৃষকই তাদের তলিয়ে যাওয়া ফসল রোপা-আউশ ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এছাড়া অনেক বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তারা। বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি গবাদি পশুর খাদ্যের সংকট দেখা দেয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন ওইসব পানিবন্দি মানুষ। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, আষাঢ়ের ভারি বর্ষণে এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে ওই দুই নদীর পানি বাড়ছে। এতে করে পৌরসভার দুইটি ওয়ার্ডের নিচু এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্লাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনও কিছুই জানায়নি। এরপরও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। বানভাসী মানুষদের প্রয়োজনীয় সবধরণের সহযোগিতা দেয়ার আশ^াস দেন এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।