dannews24.com | logo

৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

কাহালুতে আমন ধান চাষাবাদে মহাচিন্তায় চাষিরা

প্রকাশিত : আগস্ট ০৬, ২০২০, ১৭:০০

কাহালুতে আমন ধান চাষাবাদে মহাচিন্তায় চাষিরা

কুতুব শাহাব উদ্দিন বাবু, কাহালু  বগুড়া ,প্রতিনিধি :কাহালু উপজেলায় বেশীরভাগ মাঠে এখনো কোমর পর্যন্ত পানি জমে আছে। উচুঁ জমিতে আমন ধানের চারা রোপন শুরু করা হলেও বেশী পানি জমে থাকায় অধিকাংশ জমিতে নামতে পারছেন-না চাষিরা। এদিকে সময় ফুরিয়ে আসলেও জমি চাষাবাদে জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা হওয়ায় চাষিরা রয়েছেন মহাচিন্তায়।

খাজলাল গ্রামের আমন চাষি আঃ রাজ্জাক, শাকোহালী গ্রামের জলিল, মহেষপুর গ্রামের তাজুল জানান, আমাদের এখানে বেশী পানির কারণে জমিতে মেশিন নামানো যাচ্ছেনা। চাষাবাদের সময় ফুরিয়ে আসছে। এদিকে চারার বয়সও বাড়লে তা নষ্ট হওয়ার বেশী আশঙ্কা থাকে। যারফলে পরিশ্রম দিগুন হলেও অনেকে ধানের চারা দু-গছি করে রাখছেন। চাষিদের মতে বেশী বয়সী চারা রোপন করলে ধানের ফলন ভালো হয়না।

সেই কারণে অর্জিত চারাগুলো তারা তুলে অন্য জমিতে দু-গছি করে রাখছেন। মাঠের পানি কমলে দু-গছি করা চারা আবার তুলে রোপন করবেন। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রমতে চলতি মৌসুমে ১৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষাবাদের টার্গেট রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন মাঠে মাত্র ৩ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চারা রোপন করা হয়েছে। সুত্রমতে মাঠের পানি ধীরগতিতে নামার কারণে আমন ধান চাষাবাদও কিছুটা ধীরগতিতে চলছে।

কৃষি অফিসের তথ্যমতে পানি নিস্কাশ্বনের পথে প্রতিবন্ধকতা ও চলতি মৌসুমে অতি বৃষ্টির কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে আবহাওয়া অনুকুলে আসলে এই সমস্যা কেটে যাবে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আখেরুর রহমান জানান, পানি নিস্কাশ্বনে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিলো।

ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাছুদুর রহমান অনেক বাঁধা অতিক্রম দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে মাঠে নামেন। সাহসি ভূমিকা নিয়ে পানি নিস্কাশ্বনের নয়নজুলির বেশ কিছু অংশ তিনি দখল মুক্ত করে সেগুলো খনন করে নিয়েছেন। তার নির্দেশে কৃষকদের সমস্যা সমাধানে আমরাও আন্তরিকভাবে কাজ করছি।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।