dannews24.com | logo

১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সাপাহারের অনেক শিক্ষার্থরা স্কুল কলেজ বন্ধ পেয়ে গেম খেলে মুল্যবান সময় ও অর্থ ব্যয় করছেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২০, ১৪:২৫

সাপাহারের অনেক শিক্ষার্থরা স্কুল কলেজ বন্ধ পেয়ে গেম খেলে মুল্যবান সময় ও অর্থ ব্যয় করছেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: বৈশ্বিক করোনাকালে দেশের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছেন বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের জীবন থেকে অনেক মুল্যবান সময় হারিয়ে গেছে বর্তমানে অসংখ্য শিক্ষার্থীরা তদের লেখা পড়া বন্ধ হওয়ায় দিশে হারা হয়ে পড়েছেন। আবার অননেক শিক্ষার্থীরা লেখা পড়া বিহীন অবস্থায় হাতে অনেক সময় ফ্রি পাওয়ায় বিভিন্নভাবে তাদের জীবনকে অতিবাহিত করে ধ্বংশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এরুপ ঘটনা নওগাঁর সাপাহারে দেখা গেছে বলে অনেক অভিভাবকগন জানিয়েছেন।

করোনাকালে স্কুল কলেজগুলি যখন বন্ধ ঠিক সে সময়ে অনেক শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট পড়া বা অন্য কোন কাজের কথা বলে ঘর থেকে বের হয়ে বিভিন্ন নির্জন স্থানে বসে মোবাইল ফোনে গেম খেলা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আর এই গেম খেলতে গিয়ে অনেক অর্থও ব্যায় করছেন তারা। সাপাহার ঘুরে দেখা গেছে উপজেলা সদরের কখনও আন্ডারগ্রাউন্ড হোটেলে কখনও সিঁড়ির নিচে আবার কখনও বিভিন্ন মার্কেটের কোন বা চিপায় চাপায় বসে সারাক্ষন গেম খেলা নিয়ে ব্যাস্ত থাকছেন তারা। কোন কোন অর্থশালীর ছেলের এনড্রোয়েট ফোনে আবার কখনও কোন লোকের মোবাইল ভাড়া করে গেম খেলছে এসব শিক্ষার্থীরা। আর এই গেম খেলার জন্য ডায়মন্ড, দামী পিস্তল, দামী পোশাক, জুতা, ক্যাপ সহ বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ের জন্য বাবা, মা’র পকেট থেকে টাকা পয়সা চুরি করে পাশেই বসে থাকা বিকাশ কোম্পানীর মত এজেন্টদের নিকট থেকে নগদ অর্থ দিয়ে এসব কিনে গেম খেলায় মত্ত থাকছে। তাদের গেমের মধ্যে রয়েছে বিশেষ করে পাপজি ও ফ্রি-ফায়ার। অবিলম্বে সাপাহার উপজেলার অভিভাবক মহল। এই গেম খেলার নেশা থেকে বিপথগামী শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে লেখা পড়ায় ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষে কামনা করেছেন।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।