dannews24.com | logo

১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ধরলা নদীর বাঁধে দুর্বৃত্তের কোপ, ২০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত : অক্টোবর ০৩, ২০২০, ১২:৫৬

ধরলা নদীর বাঁধে দুর্বৃত্তের কোপ, ২০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

Spread the love

মোঃ রফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :  ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর প্রটেকশন (ওয়াপদা) বাঁধটি রাতের আধাঁরে কেটে দেওয়ায় প্রায় ২০ হাজার মানুষের চলাচল বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্বধনিরাম গ্রামের স্লুইস গেটের পশ্চিম পাশে ছাটকুঠি এলাকায় বাঁধের অংশ কেটে ফেলা হয়। এলাকায় এমন ঘটনায় মানুষের ভোগান্তির সঙ্গে বেড়েছে ক্ষোভ।

সরেজমিনে দেখা যায়, পানি তোড়ে এরই মধ্যে ওই এলাকার নুর মোহাম্মদের বসত বাড়ি ভেঙে গেছে। হুমকির মধ্যে রয়েছে সিরাজুল ইসলাম, বাবলু মিয়া, ব জলে ও ফজলের বসতবাড়ি। এছাড়াও কেঁটে দেওয়া ওয়াপদা বাধেঁর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছাটকুঠি সেতুটি। ফলে চারদিন ধরে পূর্ব-ধনিবাম ও পশ্চিম ধনিবার এখন সম্পূর্ন ভাবে যোগাযোগ বিছিন্ন।

ওয়াপদা বাঁধটি কেঁটে দেওয়ায় পাশের গ্রাম বাঘ খাওয়ার চর, পূর্ব ধনিরাম আবাসন প্রকল্প, গেটের বাজার, ব্যাপারী টারী, সাহেব বাজার, ঘাটিয়ালটারী, ঘোঘারকুঠি, ছাটকুটি ও হাজির বাজারসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিছিন্নতায় পড়েছেন।

স্থানীয় জহুরুল হক, রহমত আলী, মজিবর রহমান ও রাকিবুল হাসানসহ অনেকে জানান, এ নিয়ে ওই এলাকায় তিন থেকে চার বার ওয়াপদা বাঁধ কেঁটে দেওয়ার ঘটনা ঘটলো। কিন্তু পাশেই স্লুইস গেট দিয়ে পানি নিয়মিত ভাবে নিষ্কাষণ হলেও কেন বাধঁটি কেঁটে দেওয়া হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তারা বাঁধটি দ্রুত মেরামত দাবি জানিয়েছেন।

বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খয়বর আলী জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা এই বাধঁটি কেঁটে দিলো আমার জানা নেই। এটি অন্যায় করা হয়েছে। তবে এনিয়ে ওয়াপদা বাঁধটি তিন থেকে চার বার কেঁটে দিলো। এখন সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান জানান, বিষয়টি কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।