dannews24.com | logo

১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শেরপুরে ভাতার কার্ডের প্রলোভনে স্বামী পরিত্যক্তা নারীর দেহভোগ করলো মাতব্বর

প্রকাশিত : অক্টোবর ০৫, ২০২০, ১৭:১৬

শেরপুরে ভাতার কার্ডের প্রলোভনে স্বামী পরিত্যক্তা নারীর দেহভোগ করলো মাতব্বর

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে সরকারি ভাতার কার্ড পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হতদরিদ্র স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণ করেছে এক গ্রাম্য মাতব্বর। তার নাম মো. কামরুল ইসলাম (৪০)। তিনি উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চকখানপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। এছাড়া ওই গ্রামের প্রধান মাতব্বর হিসেবে পরিচিত তিনি। উক্ত ঘটনায় ধর্ষণের শিকার স্বামী পরিত্যক্তা ওই নারী বাদি হয়ে গতকাল রোববার (০৪অক্টোবর) দুপুরের দিকে গ্রাম্য মাতব্বর কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজহার দিয়েছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চকখানপুর গ্রামের দিনমজুরের ওই মেয়ে (২৮) দীর্ঘদিন ধরে স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। তাঁর অভাব অনটনের সংসার। জীবিকার তাগিদে মেয়েটি মানুষের বাড়ি বাড়ি ঝি-য়ের কাজ করেন। এভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন যাপন করছিলেন তিনি। কিন্তু মেয়েটির অভাব-অনটনের সুযোগ নেন গ্রামের মাতব্বর কামরুল ইসলাম। তিনি মেয়েটিকে স্বামী পরিত্যক্তা সরকারি একটি ভাতার কার্ড পাইয়ে দেয়ার কথা বলে তার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এমনকি কার্ড পাইয়ে দেয়ার কথা বলে প্রায় এক মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন কামরুল ইসলাম। সম্ভ্রমহানীর পরও মেয়েটিকে ভাতার কার্ড করে দেয়নি।

এ অবস্থায় গত শনিবার (০৩অক্টোবর) রাতে মেয়েটির বাড়িতে যান মাতব্বর কামরুল ইসলাম। এরপর মেয়েটির সাথে শারীরিক সর্ম্পকের চেষ্টা করেন। কিন্ত এতে রাজী না হওয়ায় মেয়েটিকে মারধর করেন ওই গ্রাম্য মাতব্বর। এরপর ঘটনাটি এলাকায় ফাঁস হয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল। এক্ষেত্রে জরিমানা হিসেবে তাকে মোটা অঙ্কের টাকাও দিতে চাওয়া হয়। তবে তাদের সেইসব প্রলোভন ও চেষ্টা ব্যর্থ করে আইনের আশ্রয় নেন ভুক্তভোগী এই নারী।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্বামী পরিত্যক্তা মেয়েটির অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে অভিযুক্ত গ্রাম্য মাতব্বর কামরুল ইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Facebook Comments

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।