dannews24.com | logo

১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বগুড়ার শেরপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের চার সদস্য গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশিত : অক্টোবর ২৭, ২০২০, ২২:০৬

বগুড়ার শেরপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের চার সদস্য গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের নিকট থেকে দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৭অক্টোবর) ভোররাতে শেরপুর-রানীরহাট আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের সুখানগাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি আঁচ করতে পেরে আরও অন্তত ৭-৮জন ডাকাদ সদস্য পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার নাসিয়াকান্দি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার ছেলে মো. নাজিম উদ্দীন (২৫), একই জেলা ও উপজেলার কালিনগর গ্রামের মোকবুল হোসেনের ছেলে শফিউল্লাহ শফি (২২), পাশের লক্ষীপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে ইয়াকুব আলী (২৫) ও আব্দুল কুদ্দুস আলীর ছেলে রেজাউল করিম (২৪)।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ওই আঞ্চলিক সড়কের উক্ত স্থানে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপনে-এমন সংবাদ পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতি আঁচ করতে কয়েকজন ডাকাত সদস্যরা পালিয়ে গেলেও ওই চারজন আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজতে থাকা দুইটি বড় ধারালো হাসুয়া, রড-লাঠি, রশি ও গাছকাটার করাত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা নেয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমা- চেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত ডাকাত সদস্যদের মধ্যে নাজিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা-চাঁদাবাজিসহ আরও চারটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ।

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।