dannews24.com | logo

১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বগুড়ার শেরপুরে যাত্রীবাহী বাস চায়ায় শিশুসহ অটোরিকসা যাত্রী নিহত ৩ : আহত ৩জন

প্রকাশিত : নভেম্বর ২২, ২০২০, ২২:৫৭

বগুড়ার শেরপুরে যাত্রীবাহী বাস চায়ায় শিশুসহ অটোরিকসা যাত্রী নিহত ৩ : আহত ৩জন

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে যাত্রীবাহী বাস চাপায় শিশুসহ তিনজন অটোরিকসার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন যাত্রী। গতকাল রোববার (২২নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ধনকুড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ঘাসুরিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার শিশু ছেলে মো. শাহ সুলতান (৯), পাশের সুঘাট ইউনিয়নের চকপাহাড়ি গ্রামের ইছাহাক আলীর ছেলে আল আমিন (২৮) ও একই গ্রামের আলহাজ¦ মোল্লার ছেলে আব্দুল হাই (৬০)। শেরপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. রতন হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, হতাহত যাত্রীরা একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকসাযোগে স্থানীয় চান্দাইকোনা বাজারে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে উক্ত স্থানে বগুড়া থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী আল-রিয়াদ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস অটোরিকসাটিকে পেছন থেকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে অটোরিকসাটি দুমরে-মুছরে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই ওই তিনযাত্রী নিহত হন।

আর বাকি তিনজন আহত হন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদেরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর হাসপাতাল এবং পরে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। তারা হলেন- উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রামের আমানুল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে আকাইদ হোসেন (২৫) তার মা আনোয়ারা বেগম (৫০) ও নীলফামারী জেলা সদরের আব্দুর রশিদ (৫৫)।

এরমধ্যে আনোয়ারা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান এই স্টেশন কর্মকর্তা। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক বাসটি আটক করা গেলেও চালক-হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। উক্ত ঘটনায় মামলা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

অফিস: হোল্ডিং#৩৫৯,রোড# ৮/২ মধ‍্য সরদারপাড়া, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।




সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: মোছাব্বর হাসান মুসা।

নির্বাহী সম্পাদক
ইমরানুল হাসান (বি এ অনার্স) ম‍্যানেজমেন্ট।

 

বার্তা সম্পাদক: মো:জাকারিয়া হাসান।

মহিলা সম্পাদিকা: মোনিকা আক্তার মালা।